অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা

ছাত্র-ছাত্রীদের মেধার বিকাশ ও পাঠ-অগ্রগতি মূল্যায়নের লক্ষ্যে সেমিস্টারের ভিত্তিতে বিন্যস্ত কোর্সের উপর পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। প্রতি সেমিস্টারে প্রত্যেক বিষয়ের ওপর সাপ্তাহিক, মাসিক ও সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। পরীক্ষা শেষে কম্পিউটারাইজড মার্কশীট ছাত্র-ছাত্রীদের মাধ্যমে অভিভাবকের কাছে পাঠানো হয়। প্রথম বর্ষে ২টি সেমিস্টার ফাইনাল এবং দ্বিতীয় বর্ষে ২টি সেমিস্টার ফাইনাল ও ১টি নির্বাচনি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও প্রিপারেটরি সেমিস্টারে  সাপ্তাহিক মডেল টেস্টসহ চূড়ান্ত মডেল টেষ্ট অনুষ্ঠিত হয়।

অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় কোনো বিষয়ে D/F গ্রেড প্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীদের Warning দেওয়া হয় এবং অভিভাবককে বিষয়টি অবগত করা হয়। পরবর্তী পরীক্ষায় D/F গ্রেড পেলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে প্রমোশন দেয়া হয় না।

পরীক্ষাপদ্ধতি

রাজধানী আইডিয়াল কলেজে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের জন্য অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। প্রতিটি পরীক্ষাই অত্যন্ত কঠোর শৃঙ্খলায় অনুষ্ঠিত হয়।

>>   শ্রেণি পরীক্ষা (CT)

>>   মিড সেমিস্টার পরীক্ষা (MT)

>>   সেমিস্টার পরীক্ষা

শ্রেণি পরীক্ষা (CT) : প্রত্যেক সপ্তাহে অন্ততঃ দু’টি বিষয়ে শ্রেণি পরীক্ষা নেয়া হয়। এভাবে প্রতিমাসে প্রত্যেক বিষয়ে কমপক্ষে দু’টি করে শ্রেণি পরীক্ষা নেয়া হয়। শ্রেণি পরীক্ষার মোট নম্বর ১০ এবং পাস নম্বর । এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিষয় শিক্ষক দিক নির্দেশনা দেন। শ্রেণি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর সেমিস্টার পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের সাথে যোগ করা হয়।

মিড সেমিস্টার পরীক্ষা (MT) : প্রতি সেমিস্টারে প্রত্যেক বিষয়ে অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী যা পড়ানো হয় তার উপর মধ্যবর্তী সময়ে প্রতি বিষয়ে ৩০ নম্বরের মাসিক পরীক্ষা নেয়া হয়। মিড সেমিস্টার পরীক্ষা (MT) পরীক্ষার পাস নম্বর ১১। শ্রেণি পরীক্ষার ন্যায় মাসিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরও সেমিস্টার পরীক্ষার নম্বরের সাথে যোগ করা হয়।

সেমিস্টার পরীক্ষা : প্রতি সেমিস্টারে অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী যা পড়ানো হয় তার উপর পূর্ণ নম্বরের পরীক্ষা নেয়া হয়। এ পরীক্ষার পাস নম্বর শতকরা ৩৬। যেসব বিষয়ে ব্যবহারিক আছে সেসব বিষয়ে তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় আলাদাভাবে শতকরা ৩৬ নম্বর পেয়ে পাস করতে হবে। সৃজনশীল ও বহুনির্বাচনি অংশে আলাদাভাবে পাস করতে হবে।

নির্বাচনি পরীক্ষা : দ্বিতীয় বর্ষে পঞ্চম সেমিস্টারটি হবে নির্বাচনি পরীক্ষা। এতে প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রের উপর সম্পূর্ণ সিলেবাস থেকে বোর্ড পরীক্ষার অনুরূপ প্রশ্নের আলোকে নির্বাচনি পরীক্ষা নেয়া হয়। এ পরীক্ষায়ও শিক্ষার্থীকে প্রতি বিষয়ে শতকরা ৩৬ নম্বর পেয়ে পাস করে বোর্ড পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করতে হয়।

প্রবেশপত্র

একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে অনুষ্ঠিতব্য প্রতিটি মিড সেমিস্টার ও সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার জন্য Admit Card (প্রবেশপত্র) ইস্যু করা হয়। সকল পাওনা পরিশোধ করে পরীক্ষা শুরুর শিক্ষা কার্যদিবস পূর্বে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে সংশ্লিষ্ট শ্রেণি শিক্ষকের নিকট থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হয়। প্রবেশপত্র ছাড়া পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করা যায় না।

ফলাফল প্রকাশ

কলেজের অভ্যন্তরীণ সকল পরীক্ষার ফলাফল শিক্ষাবোর্ডের স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী গ্রেডিং পদ্ধতিতে প্রকাশ করা হয়ে থাকে। স্বল্পতম সময়ের মধ্যে নির্ভুলভাবে ফলাফল প্রকাশের জন্য Edusmart নামে একটি IT প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। প্রত্যেক সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা শেষে নির্ধারিত তারিখে ফলাফল প্রকাশ করা হয়।